মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ | | ২১ শাওয়াল ১৪৪০
banner

সহিংসতায় নিহত ১০০

প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৯, ১০:৫৫ এএম

সহিংসতায় নিহত ১০০

আফ্রিকার দেশ মালির একটি গ্রামে ডগন জনগোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছে। সোমবার মালির সাংগা শহরের নিকটবর্তী সোবালে কোও গ্রামে ডগনদের সংঘবদ্ধ একটি দল ওই হামলা চালায়।

স্থানীয় একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, মৃতদেহগুলো আগুনে পোড়া ছিল। আরও মরদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মালিতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অসংখ্য হামলা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু জাতিগত এবং কিছু জিহাদি গ্রুপ দ্বারা পরিচালিত।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স জানায়, কেবল মার্চেই এক বন্দুক হামলায় দেড় শতাধিক নিহত হয়েছিলো। মালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী হামলা।

তবে বিবিসি বলছে, এসব হামলার সবটাই কিন্তু জাতিগত সংঘাত নয়। এর মধ্যে কিছু ছিলো জিহাদি গ্রুপের হামলা।

এদিকে রোববার সোবামে দা গ্রামে ওই হামলার পর ঘটনাস্থলে আরো সহিংসতা ঠেকাতে ঐ অঞ্চলে বিমান সহায়তা পাঠিয়েছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী।

এই হামলাকে ‘সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে মালি সরকার।

আমাদো টোগো নামের এক ব্যক্তি যিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ৫০ জনের মত ভারি অস্ত্রসজ্জিত ব্যক্তি মোটরবাইক এবং পিকআপে করে আসে। তারা প্রথমে পুরো গ্রামটি ঘিরে ফেলে পরে হামলা করে। এবং যে পালানোর চেষ্টা করে তাকেই তারা হত্যা করে।

এই ব্যক্তি আরো বলেছেন, গ্রামের কেউ রক্ষা পায়নি। নারী, শিশু, বৃদ্ধ-কেউ না।

এদিকে কোন গ্রুপ এখনো পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

প্রসঙ্গত, ওই অঞ্চলে ডোগন এবং ফুলানি বাসিন্দাদের মধ্যে বহুদিনের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এর মূল কারণ ডোগনরা প্রথাগত পদ্ধতিতে চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে।

অন্যদিকে, পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা ফুলানি গোত্রের লোকেরা কিছুটা যাযাবর জীবনযাপন করে। এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ অনেক পুরনো।

তবে বিবিসি সংবাদদাতারা বলছেন ২০১২ সালে ঐ অঞ্চলে ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর উত্থানের পর থেকে সংঘাত ও হামলার ঘটনা বেড়ে চলেছে।

সর্বশেষ সংবাদ