বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৯ | | ১৯ শা'বান ১৪৪০
banner

আবারো ভেঙে গেল কুমারখালীর যদুবয়রা স্কুলের বাঁশের সেতু দুর্ভোগে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:৩২ পিএম

আবারো ভেঙে গেল কুমারখালীর যদুবয়রা স্কুলের বাঁশের সেতু দুর্ভোগে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী

মিজানুর রহমান নয়ন, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ঃ  বছরে কয়েকবার ভাঙা আর নাটকীয় ভাবে ভিক্ষার হাত বাড়িয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মেরামত করিয়ে কোনো রকমে কাজ চালিয়ে নেওয়া' এযেন সু-প্রাচীন এক ভাঙা গড়ার খেলায় পরিনিত হয়ে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলাধীন দক্ষিন অঞ্চলের ইতিহাস,ঐতিহ্য,সাংস্কৃতিক ধারক বাহক ও সেরা বিদ্যাপীঠ যদুবয়রা প্রাইমারী ও হাই স্কুলের বাঁশের সেতু।বাঁশের সেতুটির দৈর্ঘ প্রায় ৭০ ফিট এবং প্রস্থ  ৩ ফিট।

সোমবার বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়,প্রতি বছরের ন্যায় এবার সেতুটি ভেঙে সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।তবুও প্রয়োজনের তাগিতে জীবনের ঝুকি নিয়ে একজন আরেক জনের হাত ধরে  ও ঝুলাঝুলি করে চলাচল করছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,উল্লেখিত বাঁশের সেতু টি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন সেতু।যদুবয়রা প্রাইমারী ও হাই স্কুলের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান রাস্তা জয়বাংলা বাজার ও ছাতিয়ান বাজার।প্রধান রাস্তা দুইটি বাজার কেন্দ্রিক ও দুরবর্তী হওয়াই ছাত্রদের জন্য তেমন অসুবিধা না হলেও ছাত্রীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

সংগত কারনেই শিক্ষার্থীরা সহজ,ঝামেলামুক্ত ও শর্টকার্ট এই বাশের সেতু সংযুক্ত রাস্তাটি বেছে নিয়েছে।কিন্তু এখানেও তেমন শান্তি পাওয়া যায় না বলেন জানান,যদুবয়রা হাই স্কুলের নবম শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ।সে বলেন প্রতিবছরে কয়েকবার এই বাঁশের সেতুটি ভেঙে যায়।অনেক সময় শিক্ষার্থীরাও সেতু ভেঙে পানিতে পরে যায়।এতে মারাত্মক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে।এছাড়াও সেতু ভাঙলে আবার শিক্ষার্থীদের বাজার দিয়ে চলাফেরা করতে হয়।এতে সমস্যার অন্ত নেই।

'স্থানীয় সংসদ সদস্য ও  ইউপি চেয়ারম্যান  এবং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায়  যুগ যুগ ধরে ভোগান্তিতে শত শত শিক্ষার্থী ও কয়েক হাজার জন সাধারন' এমটায় জানিয়েছেন যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র সাগর।সাগর বলেন,অনেক দেরিতে হলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন,যতদুর সম্ভব এই সমস্যাটি নিরোসনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

এই বাঁশের সেতুটিরর গুরুত্ব সম্পর্কে যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন,শুধু হাই স্কুল বা প্রাইমারী নয়,যদুবয়রা ভুমি অফিস ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দক্ষিন -পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের চলাচলের প্রধান শর্টকার্ট সেতু সড়ক এটি।প্রতিদিনই প্রায় কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের সড়ক এটি হওয়াই এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কেন ফুট ওভার ব্রীজ তৈরি করা হয়না।প্রশ্ন থেকে গেল কর্তৃপক্ষের কাছে?

স্কুল সুত্রে জানা যাই,প্রাইমারী স্কুলে বর্তমান শিক্ষার্থী ৫৭০ জন এবং হাই স্কুলে প্রায় ৯৫০ জন।বাশের সেতুটি ভেঙে গেলে ঐ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের উপস্থিতির হার কমে যায় বলে,জানান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুন্সী বজলুর রহমান।তিনি বলেন আমরা কর্তৃপক্ষের সুনজর কামনা করি।

সর্বশেষ সংবাদ