বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯ | | ১৪ রজব ১৪৪০
banner

এটা পাবলিক ট্রায়াল না, ক্যামেরা ট্রায়াল : খালেদা জিয়া

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারী ২০১৯, ০৫:৩৮ পিএম

এটা পাবলিক ট্রায়াল না, ক্যামেরা ট্রায়াল : খালেদা জিয়া

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতের পরিবেশ নিয়ে নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে বলেছেন, এটা কোনো পাবলিক ট্রায়াল না এটা ক্যামেরা ট্রায়াল।


বৃহস্পতিবার দুপুরে নাইকো দুর্নীতি মামলায় ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী বিশেষ জজ-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে এসব কথা বলেন তিনি।


তিনি বলেন, এখানে আমি বসতে পারি না। আমার আইনজীবীরা বসতে পারেন না। সাধারণ মানুষ আসতে পারে না।


বিচারকের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আপনাকে তো এখানে এনেছে আমাকে সাজা দেওয়ার জন্য। যা খুশি সাজা দিয়ে দেন। এমন পরিবেশ থাকলে এ আদালতে আমি আর আসব না।


খালেদা জিয়া আরো বলেন, এখানে এত লোক কেন, পুলিশ কমাতে বলেন। এত পুলিশ থাকলে আমার আইনজীবীরা কীভাবে আসবে। জজ সাহেবের সামনে এত পুলিশ কেমনে থাকে।


একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, এখন নির্বাচন নিয়ে আমি কিছু বলব না।


এর আগে খালেদা জিয়াকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয় দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে। বিচারক এজলাসে আসেন ১২টা ১৫ মিনিটে। এরপরই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল শুনানি শুরু করেন।


বিচারক ১৩ জানুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। 


২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৫ মে, খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।


মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।


মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

সর্বশেষ সংবাদ